শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

সুদকে বর্জন কর


আল্লাহর সাথে যুদ্ধ ঘুসনা করেছে আজ অনেক মুসলিম!!

"ও ঈমানদার মুসলিমরা সুদকে বর্জন কর""৷ আর যদিতা না কর তাহলে জেনে নাও আল্লাহ আর আল্লাহর রাসুলের সাথে যুদ্ধ গুসনার কথা"""{২:২৭৮/২৭৯}
তাফসীরে ইবন কাসীরে বলেছেন আখিরাতে ওই বেক্তিদের যারা সুদে লেনদেন করেছে ওদের জিবরাইল আ তলবারী দিয়ে বলবেন যাও আল্লাহর সাথে যুদ্ধ কর,ওই যুদ্ধ যেইটার ঘুসনা তুমি দুনিয়াতে দিয়েছিলে.. ওরা করা? ওরা আপনার আমার মত মানুষ যারা সুদে লেনদেন করেছে ৷

নবী (সা) বলেছেন যখন উনাকে জান্নাত এবং জাহান্নামের সফরে নেওয়া হয়েছিল তখন উনি দেখলেন, কিছু মানুষ যাদের পেট বিশাল ঘরের সমান এবং পিটার ভিতর বড় বড় সাপ এবং সাপ গুলু বার বার ওই বেক্তিকে ভিতর থেকে কামর দিচ্ছে..তখন রাসুলআল্লাহ জিবরাইল আ কে জিজ্ঞাস করলেন কে এই বেক্তি? উনি বললেন ওরা সুদ নিয়ে লেনদেন করেছে এবং সুদের মাল খেয়েছে ৷
(আহমেদ/ ইবন মাজা)

আর অন্য হাদিসে নবী (সা) বলেছেন আমি দেখলাম কিছু মানুষ রক্তের নদীতে হাবুডুবু খাচ্ছে এবং যখনই নদী সাতরিয়ে উঠার চেষ্টা করে তখনই একজন ফিরিস্ত ওই লুকদের মখের উপর বড় পাথর দিয়ে মেরে আঘাত করেন, তখন ওই বেক্তি ডুবে আবার সমান জায়গায় চলে যায়..আমি জিবরিলকে জিজ্ঞাস করলাম ওরা কে? জিবরীল বললেন ওরা শুধে লেনদেন করত এবং শুধের মাল খেত ৷
(সহিহ বুখারী, ২.৪৬৮)

আজ মুসলিমদের অবস্তা দেখে আফসোস হয় যে দুনিয়ার কিছু লাভের জন্য আজ আমরা আমাদের আখিরাত নষ্ট করে ফেলছি, আল্লাহর সাথে যুদ্ধ ঘুসনা করেফেলছি..
আজ অনেকেই পড়া লেখার জন্য কেও বেবসার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে সুদে পয়সা লোন আনছে আবার কেও কিস্তিতে বাড়ি বা ফ্লাট কিনার জন্য সুদের মত জঘন্য হারামে লিপ্ত হছ্চে যা বর্জন না করলে আল্লাহর থেকে ওয়াদা করা হয়েছে জাহান্নাম..

যারা যেই কোনো কারণে সুদে লিপ্ত আছেন ওদের মনে রাখা উচিত আল্লাহ চাইলে দুনিয়াতেও সাজা দিতে পারেন আখিরাতেও দিবেন..সুদে লিপ্ত হওয়ার কোনো অজুহাত নাই !!

আল্লাহ যেন আমাদের এবং আমাদের পরিবারকে সুদের মত জঘন্য হারাম থেকে হিফাজত করেন..এবং আমাদের বুঝার এবং আমল করার তাওফীক দান করেন আমীন !



মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৩


নিজের মায়ের সাথে সেক্স করছেন নাতো? সুদ:


তাও আবার অসংখ্যবার...

জানি একথা ভাবতেই আপনার নিজের ভেতরে ঘৃণা হচ্ছে। অসম্ভব ঘৃণা করছেন আমাকেও, আমি কি লিখতে পারলাম এটা?
আমন কুলাঙ্গারও কি পৃথিবীতে আছে?

যদি বলি আপনিই সেই কুলাঙ্গার, যে অজান্তে প্রতিদিনই নিজের গর্ভধারিণী মায়ের সাথে যৌনমিলনের অপরাধ কাধে নিয়ে বেড়াচ্ছেন। ভাবছেন এটা কি করে সম্ভব?

আবদুল্লাহ্ ইব্ন মাসঊদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেনঃ সুদের সত্তর ভাগের ক্ষুদ্রতম ভাগ এই পরিমাণ যে, কোন ব্যক্তি স্বীয় মাতার সাথে যেনা করে। ইবনে মাজাহ্ , বায়হাকী, হাকেম।

# সুদ খাওয়া হারাম! এটাকে গুরুত্ব দিন।

"ওহে ইমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ খেওনা; আর আল্লাহ্‌কে ভয়-শ্রদ্ধা করো যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।" (সুরা আহ্‌লে ইমরান: ১৩০)

# সুদের ভয়াবহ শাস্তিঃ
"আর তাদের সুদ নেবার জন্যে, যদিও তাদের তা নিষেধ করা হয়েছিল, আর লোকের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে তাদের গ্রাস করার জন্যে। আর তাদের মধ্যের অবিশ্বাসীদের জন্য আমরা তৈরি করেছি ব্যথাদায়ক শাস্তি।" (সুরা আন নিসা: ১৬০)

"যারা সুদ খায় তারা এমন ভাবে দাঁড়ায় যাকে শয়তান তার স্পর্শের দ্বারা আহিত করেছে। কেননা তারা বলে -- ''ব্যবসা-বাণিজ্য তো সুদ-কারবারের মতোই।’’ কিন্তু আল্লাহ্ বৈধ করেছেন ব্যবসা-বাণিজ্য, অথচ নিষিদ্ধ করেছেন সুদকে। অতএব যার কাছে তারা প্রভুর তরফ থেকে এই নির্দেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে তার জন্যে যা গত হয়ে গেছে, আর তার ব্যাপার রইল আল্লাহ্‌র কাছে। আর যে ফিরে যায় তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা, এতে তারা থাকবে দীর্ঘকাল।" (সুরা আল বাকারাহ্‌: ২৭৫)

সামুরা ইবনে জুনদুব রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন;
নবী মোহাম্মদ সাঃ বলেছেন "আজ রাতে আমি একটি স্বপ্ন দেখেছি যে দু'ব্যক্তি আমার নিকট এসে আমাকে এক পবিত্র ভুমিতে নিয়ে গেল। আমরা চলতে চলতে এক রক্তের নদীর কাছে পৌঁছলাম। নদীর মধ্যস্থলে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে এবং আরেক ব্যক্তি নদীর তীরে তার সামনে পাথর পড়ে আছে। নদীর মাঝখানের লোকটি যখন বের হয়ে আস্তে চায় তখন তীরের লোকতি তার মুখে পাথর খণ্ড নিক্ষেপ করে তাকে স্বস্থানে ফিরিয়ে দিচ্ছে। সে যতবারই ফিরিয়ে আস্তে চায় ততবারই তাকে পাথর মেরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, 'এ কে?'। সে বলল যাকে আপনি রক্তের নদীতে দেখছেন সে হলো সুদখোর"।
সহিহ বুখারি, খন্ড নাম্বার ৪, পরিচ্ছেদ নাম্বার ১৩০০ 'সুদ গ্রহণকারী, তার সাক্ষী ও লেখক'। হাদিস নাম্বার ১৯৫৫।

কাদের কাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে দেখি চেহারা। ভাই এক পয়সা সুদ খাওয়া মানেই জীবন বরবাদ। পেটের ভেতরে হারাম ঢুকিয়ে ফেলেছেন। এক্ষুনি তাউবা করুন, সুদের টাকা এখনও কাছে থাকলে পুরোটাই সাদকা করে দেন। টাকার মায়ায় জান্নাত হারাইয়েন না।
সুদ শুধু খারাপই নয় বরং একটি হারাম এবং হারামকে হারাম বলে না মানার অর্থই কাফির হয়ে যাওয়া। আজকাল অনেকে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টাকে আমলে নিচ্ছেন না। ভুল ক্রমেও এক পয়সা সুদ খেয়ে থাকলে নামাজ রোজার আর কোন দাম নাই, কিছুই কাজে আসবেনা।
সুদের ব্যবসা মানেই ব্যাংক। এই ব্যাংক আমাদের মুসলিমদের ঈমান ধ্বংসের জন্য কাফিরদের অনেকগুলো সুপরিকল্পিত সিস্টেম এর মাঝে একটি। আমাদের কে কিভাবে হারাম কাজ কৌশলে করিয়ে নেওয়া যেতে পারে এজন্য তারা কৌশল খাটাচ্ছে আর আফছস আমরা সেগুলোতে পা দিয়ে জিন্দেগী নষ্ট করছি। আমাদের মা বোনদের 'সঞ্চয়' নামক ধোঁকার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে এক শ্রেণীর দালাল ও মাগিবাদী(নারীবাদী) ব্যবসায়ীরা ও সুদস্তান (ব্যাংক) এর মালিকেরা শয়তানের এজেন্ট হয়ে আমাদের ঈমান ধ্বংসের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমাদের পেটে কিভাবে হারাম সুদের টাকা ঢোকানো যায় সেই চিন্তায় মগ্ন। অথচ আল্লাহ্‌ সুডঃ দেওয়া প্লাস নেওয়া এবং সাক্ষী থাকাও হারাম করেছেন।
আর আল্লাহ্‌র চাইতে কে বেশি ভালো বোঝেন?

# এই সুদের টাকা কি করবেন?
সুদের টাকা ইসলামী ব্যংকের দিলে হালাল হয়ে যায়না বরং দাড়ি টুপি পরে সুদ খেলেও সুদখোর আর স্বাভাবিকভাবে খেলেও সুদখোর। কিন্তু টাকা তো হালাল করতেই হবে। এজন্য আপনার সুদের টাকা হালাল করুন সেইভাবে যেভাবে আল্লাহ্‌ শিখিয়ে দিয়েছেন।

"আর যা-কিছু তোমরা সুদে দিয়ে থাকো যেন এটি বাড়তে পারে, -- তা কিন্তু আল্লাহ্‌র সমক্ষে বাড়বে না। আর যা তোমরা দিয়ে থাকো যাকাতে আল্লাহ্‌র চেহারা কামনা করে, তাহলে এরাই স্বয়ং বহুগুণিত লাভবান হবে।" (সুরা আর-রুম: ৩৯)

এজন্য আপনার সুদের পুরো অর্থ সাদকা করুন। আর যদি সুদ দিয়ে থাকেন তবে আপনার সম্পদ থেকে সাদকা করুন।
আমি কি সাদকা করার উত্তম পথ আপনাদের দেখিয়ে দিব?

এই টাকা/অর্থ সাদকা করার সর্বোত্তম খাত হলো "জ্বিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ্‌"।

আল্লাহ্‌ বলেন,
"যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহর রাহে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহ্র কাছে আর তারাই সফলকাম। [ আল কুরআন, ৯-২০]"

"তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে, এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পার। [ আল কুরআন, ৯-৪১]"

"কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান ও মালের দ্বারা। তাদেরই জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে। [ আল কুরআন, ৯-৮৮]"

"আল্লাহ্ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহ্র রাহে: অত:পর মারে ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হল মহান সাফল্য। [ আল কুরআন, ৯-১১১]"

"মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দিব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে? তা এই যে, তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্খাপন করবে এবং আল্লাহর পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বোঝ। [ আল কুরআন, ৬১-১০,১১]"

"সবচেয়ে উত্তম মানুষ ও মুমিন হলো সেই যে আল্লাহ্‌র পথে জীবন ও মাল দিয়ে জ্বিহাদ করে"। সহিহ বুখারি, ৫ম খন্ড, পরিচ্ছেদ ১৭৪৩, হাদিস নাম্বার ২৫৯৫।

অর্থাৎ জ্বিহাদ জীবন ও অর্থ দিয়ে হয়। যার যেটা আছে সে সেটাই দিবে। জান থাকলে জান, মাল থাকলে মাল আর উভয় থাকলে উভয়ই।
আপনি কি চাননা নিজ মাতার সাথে ঘৃণ্য অপরাধের চেয়ে ওই টাকায় মুজাহিদদের সাহায্য করে আল্লাহ্‌র পথের জ্বিহাদে অংশ নিতে?

ইবনে তাইমিয়া রহঃ ফতোয়া দিয়েছেন যে, "যদি একদিকে শত শত মুসলিম না খেয়ে মারা যায় আর অপরকে জ্বিহাদের অর্থের জন্য মুজাহিদরা আহাজারি করে তাহলে আগে মুজাহিদদের অর্থ দাও কারণ যারা না খেয়ে মারা যাচ্ছে আল্লাহ্‌ তাদের সহায় হবেন কিন্তু মুজাহিদরা অর্থ না পেলে আল্লাহ্‌র কালিমা/দ্বীন পরাজিত হবে।" আর বিশ্বের সকল আলেম এবং মুফতি, মুহাদ্দিস এই ফতোয়ার সাথে কোন দ্বিমত নেই।

ওহে মুসলিম, তোমার অর্থে একটু কুফফার মরতে পারে, তোমার অর্থে একটি মুসলিম শিশু খাবার খেতে পারে, তোমার অর্থে একটি মুসলিম ভাইয়ের চিকিৎসা হতে পারে। তোমার অর্থে একটি মুসলিম পিতার, একটি মুসলিম মাতার জীবন রক্ষা হতে পারে, কাফিরের ভয়াবহ ড্রোনের সামনে আল্লাহ্‌র সৈনিক লড়তে পারে।
সুদের টাকার জন্য নিজ মাতার সাথে জিনাহ্‌ এর গুনাও হলোনা আবার অর্থ দিয়ে তুমি জ্বিহাদ করলে ফলে জ্বিহাদের সাওয়াব পেলে। এর চেয়ে উত্তম ইবাদাত কি হতে পারে?
একটি বুলেটের দাম ৩০ টাকা, তুমি কয়টা কাফিরকে জাহান্নামে পাঠাতে চাও?
#FeeSabilillah
— with সোহাগ আহমেদ and 3 others.





Mahmudul Hasan Khan প্রশ্ন:
আমি একটি ব্যাংকে চাকুরী করি,
যা সুদ ভিত্তিক লোণ দেয় এবং সুদ
ভিত্তিক Deposit গ্রহন করে।
আমি জেনেছি যে, সুদ নির্ভর
ব্যাংকে কাজ করা হারাম, তাই
অনুগ্রহ করে নিম্নের প্রশ্নগুলির উত্তর
দিন:
১. আমার এই ব্যাংকের
চাকুরী হারাম কি না, আমি একজন
সাধারন কর্মচারী, (ব্যাংকের)
অর্থের মালিক নই?
২. আমি কি এই
চাকুরী ছেড়ে দিয়ে অন্য
একটি চাকুরী খুজব, এই জেনে যে, এই
চাকুরীর সম পরিমান বেতনের কাজ
পাওয়া খুবই কষ্টকর। আমি কি অন্য কাজ
পাওয়ার আগেই ব্যাংক ছেড়ে দিব,
নাকি অপেক্ষা করব অন্য কাজ
পাওয়া পর্যন্ত?
৩. আমি ১২ বছর ব্যাংকে কাজ
করেছি, এই বছর গুলির হারাম রুযীর
ক্ষেত্রে বিধান কি? আমি এই
ব্যাংকে কাজ করে যে আয়
করেছি তা হারাম কিনা?
আমি যে হজ্জ করেছি তার অর্থ এই
ব্যাংকের বেতনের
টাকা দিয়ে করা হয়েছে, আমার এই
হজ্জ কি গ্রহন যোগ্য?
______________________________________________
__________________
উত্তর: প্রথমত, সুদ ভিত্তিক ব্যাংকের
কাজ করা নিষিদ্ধ এবং আপনার জন্য
বৈধ নয় কাজ
চালিয়ে যাওয়া কেননা তা পাপ
এবং সীমালঙ্ঘনের কাজে সহায়তার
মধ্যে পরে। আল্লাহ্ এটি নিষেধ
করেছেন, এই বলে:" ...পাপ ও
সীমালঙ্ঘনের
ব্যাপারে একে অন্যের
সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর।
নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর
শাস্তিদাতা" [আল-মা’ইদা, আয়াত-২]
। জাবির (রাদি’আল্লাহু’আনহু)
থেকে সহীহ সনদে মুহাম্মদ
(সাল্লাল্লাহু
আলাইহী ওয়াসাল্লাম)
থেকে বর্ণিত: "রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম লা’নত
করেছেন, সুদখোরের উপর, সুদদাতার
উপর, এর লেখকের উপর ও উহার
সাক্ষীদ্বয়ের উপর" [মুসলিম,
মুসনাদে আহ্মদ]।Photo অনুরূপ
ভাবে ইবনে মাসঊদ
(রাদি’আল্লাহু’আনহু) বলেছেন: "রাসূল
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম লা’নত
করেছেন, সুদখোরের উপর, সুদদাতার
উপর, এর লেখকের উপর ও উহার
সাক্ষীদ্বয়ের উপর" [পাঁচ জন মুহাদ্দীস
থেকে বর্ণিত (ঈমাম আহমদ, আবু দাঊদ,
আল-তিরমিযী, আল-নাসাঈ
এবং ইবনে মাযাহ্) এবং আল-
তিরমিযী এটিকে সহীহ বলেছেন]।
Photo আপনার
তৌবা করতে হবে আল্লাহ্র কাছে এর
জন্য।
দ্বিতীয়ত, বিগত বছর
গুলি ব্যাংকে কাজ করার জন্য,
আমরা আশা করি আল্লাহ্ আপনার
গুনাহ্ ক্ষমা করবেন এবং এই
সময়ে আপনি যা আয় করেছেন
তাতে কোন সমস্যা নেই, যদি এই
বিষয়ে আপনি ইসলামের বিধান
না জেনে থাকেন। আমরা এও
আশা করি আল্লাহ্ আপনার হজ্জ কবুল
করুন যা এই অর্থ দ্বারা সম্পাদন
করা হয়েছে, আল্লাহ্ বলছেন: "...অথচ
আল্লাহ তাআলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ
করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন।
অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার
পক্ষ থেকে উপদেশ
এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে,
পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার
ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর
যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই
দোযখে যাবে।
তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান
করবে [আল-বাকারা, আয়াত-২৭৫] ।
আল্লাহ তাআলা সুদকে নিশ্চিহ্ন
করেন এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত
করেন। আল্লাহ পছন্দ করেন না কোন
অবিশ্বাসী পাপীকে" [আল-
বাকারা, আয়াত-২৭৬]। আল্লাহ্ যেন
আমাদের সফলতা দান করেন, সালাম
ও দরূদ বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয়
নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু
আলাইহী ওয়াসাল্লাম) এর উপর, তার
পরিবার এবং সাথীদের উপর।
প্রধান সূত্রঃ http://alifta.net/Fatawa/
FatawaDetails.aspx?
languagename=en&View=Page&PageID=5478
&PageNo=1&BookID=7#P45