#ইসলামী_ব্যাংকিং_এর_নেপথ্যে,,,,, ,,,,,
উসমানী খিলাফতের শেষের দিকে খিলাফাত রাষ্ট্রের মধ্যে পশ্চিমা ভাবধারায় বেড়ে ওঠা কতিপয় তথাকথিত ইসলামী ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটে। এদের মধ্যে খাইরুদ্দিন আত তিউনিস (১৮১০-৯৯), জামাল আদ দ্বীন আল আফগানী (১৮৩৮ -১৮৯৭), রাশিদ রিদা ( রাশিদ রিদা ( ১৮৬৫-১৯৩৫) ও এদের ভাবধারায় বেড়ে ওঠা হাসান আল বান্না (১৯০৪-১৯৪৯) প্রমুখ। এরা সমস্যা সঙ্কুল ও ধ্বংসোন্মুখ খিলাফাত ব্যবস্থাকে উদ্বারের জন্য পশ্চিমা গনতন্ত্র, ফ্রিডম অফ বিলিফ ইত্যাদি কন্সেপ্ট এর মাধ্যমে খিলাফাহ ব্যাবস্থা সংস্কারের দাবী তোলেন। ইতোমধ্যেই ১৯২৪ সালে ধ্বংস হয়ে যায় খিলাফাহ ব্যবস্থা। তখন এই সংস্কারপন্থীরাই খিলাফাহ পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করলে অনেক উদ্দ্যেশ্যহীন আন্দোলনের জন্ম হয়। কুফর শক্তির বিরুদ্বে সশস্ত্র করে অকথ্য অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে ইখওয়ানুল মুসলেমিন প্রচলিত গনতান্ত্রিক ব্যাবস্থার সাথে আপোষ করে খিলাফহ পুনরুদ্ধার থেকে ১৮০ ডিগ্রি কোনে দুরে সরে আসে।
#ইসলামী_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন এই আলোচনা করার আগে আসুন দেখে নেই ইসলামী ব্যাংক সুদ মুক্ত কিনা,,,,
#ইসলামী_ব্যাংক_কি_সুদ_মুক্ত???????????
মায়ের পেটে বাচ্চা কি হালাল খাবার খায়?? এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে মা কি খাবার খান তার উপর। মায়ের খাবার মেন্যুই যদি হয় সর্বদা হারাম তাহলে পেটের বাচ্চাকে কিভাবে হালাল খাবার সরবারহ করা যায় তা বোধগম্য নয়।
যে কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তফসিলভুক্ত অন্যান্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলো একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ বাধ্যতামূলকভাবে জমা রাখে,
এছাড়াও রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক- বানিজ্যিক ব্যাংক ও বানিজ্যিক ব্যাংক - বানিজ্যিক ব্যাংক লেনদেন।
ফলশ্রুতিতে, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের সাথে লেনদেনে যে সুদ জড়িত থাকে তা নস্ট্রা একাউন্টের মাধ্যমে বাদ দিয়ে জনকল্যাণমুলক কাজে খরচ করে তথাকথিত ইসলামী ব্যাংকের সুদমুক্ত থাকার যে অপচেষ্টা তা মুলত; পচা পানির ড্রেনে ডুব দেয়ার পর নাপাক সাপ্লাই পানি (যার সাথে সুয়ারেজ লাইন এক হয়ে গেছে) দিয়ে গোসল করারি নামান্তর। যার ভিত্তিই হল সুদ তা সুদমুক্ত করার চেষ্টা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। যেখানে ইসলামে রয়েছে অর্থনীতির সুস্পষ্ট নীতিমালা ও ব্যবস্থাপনা, সেখানে ব্যাংক ব্যবস্থাকে সুদমুক্ত করে ইসলামী নাম দিয়ে ব্যবহার করার মানসিকতা ইসলামের প্রাতি আস্থার অভাব ব্যতিত আর কি নির্দেশ দিতে পারে???
#ইসলামি_ব্যাংক_কি_শরীয়াহ_ভিত্তিক?????
কেউ যদি ইসলামি পতিতালয় খুলে নিয়ম চালু করে যে,,,,,,,
উসমানী খিলাফতের শেষের দিকে খিলাফাত রাষ্ট্রের মধ্যে পশ্চিমা ভাবধারায় বেড়ে ওঠা কতিপয় তথাকথিত ইসলামী ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটে। এদের মধ্যে খাইরুদ্দিন আত তিউনিস (১৮১০-৯৯), জামাল আদ দ্বীন আল আফগানী (১৮৩৮ -১৮৯৭), রাশিদ রিদা ( রাশিদ রিদা ( ১৮৬৫-১৯৩৫) ও এদের ভাবধারায় বেড়ে ওঠা হাসান আল বান্না (১৯০৪-১৯৪৯) প্রমুখ। এরা সমস্যা সঙ্কুল ও ধ্বংসোন্মুখ খিলাফাত ব্যবস্থাকে উদ্বারের জন্য পশ্চিমা গনতন্ত্র, ফ্রিডম অফ বিলিফ ইত্যাদি কন্সেপ্ট এর মাধ্যমে খিলাফাহ ব্যাবস্থা সংস্কারের দাবী তোলেন। ইতোমধ্যেই ১৯২৪ সালে ধ্বংস হয়ে যায় খিলাফাহ ব্যবস্থা। তখন এই সংস্কারপন্থীরাই খিলাফাহ পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করলে অনেক উদ্দ্যেশ্যহীন আন্দোলনের জন্ম হয়। কুফর শক্তির বিরুদ্বে সশস্ত্র করে অকথ্য অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে ইখওয়ানুল মুসলেমিন প্রচলিত গনতান্ত্রিক ব্যাবস্থার সাথে আপোষ করে খিলাফহ পুনরুদ্ধার থেকে ১৮০ ডিগ্রি কোনে দুরে সরে আসে।
এই
পরাজিত সৈনকদের পরাজিত মানসিকতা থেকে আসতে থাকে ইসলামের নামে নানান ধরনের
কুফরি ধারনা সমুহ। ইসলামী পুজিবাদ, ইসলামী গনতন্ত্র, ইসলামী গ্রোবালাইজেশন
এবং ইসলামী ব্যাংকিং এরি ফলাফল। কারন খিলাফাহ পুনরুদ্ধার করা তখন তাদের
কাছে দুঃসাধ্য বা অসম্ভব বলে মনে হয়। তাই একমাত্র সমাধান হিসাবে খিলাফাতকে
বাদ দিয়ে তারা সাময়িক ভাল থাকার উদ্দেশ্যে এইসব কন্সেপ্টের জন্ম দেন এবং
উম্মাহর মধ্যে যে হক পন্থীরা ছিলেন তাদের চিন্তাকেও তারা এই ইসলামাইজেশন
ধারনা দিয়ে ধীরে ধীরে দুর্নীতিগ্রস্থ (আনিসলামিক) করে ফেলেন। তাই অনেক
দুর্নীতিগ্রস্ত চিন্তার অধিকারি তথাকথিত ইসলাম পন্থীদের সাথে সাথে উম্মাহও
ইসলামী অর্থনীতি বলতে ইসলামি ব্যাংক, ইসলামি বীমা বোঝেন যা সংস্কারপন্থী
তথাকথিত আলেমদের দুর্নীতিগ্রস্ত চিন্তার ফসল।।।।।
#ইসলামী_ব্যাংকের_ইতিহাস,,,,,,
আহম্মাদ নাজ্জার নামে এক মিসরীয় মুসলিম ১৯৬৩ সালে মুনাফা বন্টনের উপর ভিত্তি করে মিশরের মিট ঘামির শহরে সেভিংস ব্যাংক নামে ইসলামী মোড়কে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এই প্রোজেক্ট চালু থাকে। ১৯৭২ সালে এই প্রোজেক্ট ' নাসের সোস্যাল ব্যাংক ' হিসাবে রুপান্তরিত হয়, যা আজ পর্যন্ত চলছে। এরি ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামি ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।। আর প্রথম ইসলামি কমার্সিয়াল ব্যাংক হিসাবে ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে " দুবাই ইসলামি ব্যাংক"। বাংলাদেশে এর ধারাবাহিকতায় ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় " ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ " প্রতিষ্ঠিত হয়।।।।।
তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদদের দুরদর্শী চিন্তা না থাকায় ইসলাম তথা খিলাফাহ ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার সম্ভবনা তারা দেখতে না পেয়ে সাময়িক ভাবে ভালো থাকার দর্শন গ্রহন করেন এবং খিলাফাহ পুনরুদ্ধারের কঠিন ও কন্টকাকির্ন পথ বাদ দিয়ে প্রচলিত পুজিবাদী ব্যবস্থার ইসলামীকরন প্রকল্প হাতে নেন। এটি তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত ও সংকির্ন চিন্তারি পরিচায়ক। বস্তুত প্রচলিত পুজিবাদী ব্যবস্থাকে ঠিক রেখে কিভাবে তা ইসলামীক করা যায় এই চিন্তার ফসলি হল ইসলামি ব্যাংক, ইসলামি হাসপাতাল, ইসলামিক স্কুল, ইসলামিক টিভি ইত্যাদি।।।।
#ইসলামি_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন??????
একটু সহজ কিন্তু কিছুটা কঠোর ভাষায় না বললেই নয়। পতিতালয়ের বাচ্চাদের বাবা খোজার সখ,,,,,,,,,
#ইসলামী_ব্যাংকের_ইতিহাস,,,,,,
আহম্মাদ নাজ্জার নামে এক মিসরীয় মুসলিম ১৯৬৩ সালে মুনাফা বন্টনের উপর ভিত্তি করে মিশরের মিট ঘামির শহরে সেভিংস ব্যাংক নামে ইসলামী মোড়কে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এই প্রোজেক্ট চালু থাকে। ১৯৭২ সালে এই প্রোজেক্ট ' নাসের সোস্যাল ব্যাংক ' হিসাবে রুপান্তরিত হয়, যা আজ পর্যন্ত চলছে। এরি ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামি ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।। আর প্রথম ইসলামি কমার্সিয়াল ব্যাংক হিসাবে ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে " দুবাই ইসলামি ব্যাংক"। বাংলাদেশে এর ধারাবাহিকতায় ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় " ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ " প্রতিষ্ঠিত হয়।।।।।
তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদদের দুরদর্শী চিন্তা না থাকায় ইসলাম তথা খিলাফাহ ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার সম্ভবনা তারা দেখতে না পেয়ে সাময়িক ভাবে ভালো থাকার দর্শন গ্রহন করেন এবং খিলাফাহ পুনরুদ্ধারের কঠিন ও কন্টকাকির্ন পথ বাদ দিয়ে প্রচলিত পুজিবাদী ব্যবস্থার ইসলামীকরন প্রকল্প হাতে নেন। এটি তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত ও সংকির্ন চিন্তারি পরিচায়ক। বস্তুত প্রচলিত পুজিবাদী ব্যবস্থাকে ঠিক রেখে কিভাবে তা ইসলামীক করা যায় এই চিন্তার ফসলি হল ইসলামি ব্যাংক, ইসলামি হাসপাতাল, ইসলামিক স্কুল, ইসলামিক টিভি ইত্যাদি।।।।
#ইসলামি_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন??????
একটু সহজ কিন্তু কিছুটা কঠোর ভাষায় না বললেই নয়। পতিতালয়ের বাচ্চাদের বাবা খোজার সখ,,,,,,,,,
#ইসলামী_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন এই আলোচনা করার আগে আসুন দেখে নেই ইসলামী ব্যাংক সুদ মুক্ত কিনা,,,,
#ইসলামী_ব্যাংক_কি_সুদ_মুক্ত???????????
মায়ের পেটে বাচ্চা কি হালাল খাবার খায়?? এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে মা কি খাবার খান তার উপর। মায়ের খাবার মেন্যুই যদি হয় সর্বদা হারাম তাহলে পেটের বাচ্চাকে কিভাবে হালাল খাবার সরবারহ করা যায় তা বোধগম্য নয়।
যে কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তফসিলভুক্ত অন্যান্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলো একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ বাধ্যতামূলকভাবে জমা রাখে,
এছাড়াও রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক- বানিজ্যিক ব্যাংক ও বানিজ্যিক ব্যাংক - বানিজ্যিক ব্যাংক লেনদেন।
ফলশ্রুতিতে, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের সাথে লেনদেনে যে সুদ জড়িত থাকে তা নস্ট্রা একাউন্টের মাধ্যমে বাদ দিয়ে জনকল্যাণমুলক কাজে খরচ করে তথাকথিত ইসলামী ব্যাংকের সুদমুক্ত থাকার যে অপচেষ্টা তা মুলত; পচা পানির ড্রেনে ডুব দেয়ার পর নাপাক সাপ্লাই পানি (যার সাথে সুয়ারেজ লাইন এক হয়ে গেছে) দিয়ে গোসল করারি নামান্তর। যার ভিত্তিই হল সুদ তা সুদমুক্ত করার চেষ্টা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। যেখানে ইসলামে রয়েছে অর্থনীতির সুস্পষ্ট নীতিমালা ও ব্যবস্থাপনা, সেখানে ব্যাংক ব্যবস্থাকে সুদমুক্ত করে ইসলামী নাম দিয়ে ব্যবহার করার মানসিকতা ইসলামের প্রাতি আস্থার অভাব ব্যতিত আর কি নির্দেশ দিতে পারে???
এখন আসি,,,
ইসলামী_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন????
একটু সহজ কিন্তু কিছুটা কঠোর ভাষায় না বললেই নয়। পতিতালয়ের বাচ্চাদের বাবা খোজার শখ বা প্রয়োজনীয়তা থাকাটা স্বাভাবিক, কারন তারা তাদের বাবাকে চেনে না। স্কুলে ভর্তির সময় সাময়িক সমাধান হিসাবে কোন বাবার নাম লিখতে হতে পারে, যাকে আমরা জন্মসুত্রে বাবা বা ইসলামিক বাবা বলতে পারি।
কিন্তু যার বাবা আছে তারতো ইসলামিক বাবা খোজার প্রয়োজন নাই। কারন সে জন্ম থেকেই চেনে তার বাবাকে।
তেমনি ভাবে ইসলামী ব্যাংক তাদেরি দরকার, যাদের সাময়িক বাবা প্রয়োজন। মায়ের উপর ১০০% বিশ্বাস থাকলে জন্ম থেকে যে বাবা হিসাবে পরিচিত, সে-ই সারা জীবন বাবা হিসেবে ভুমিকা পালন করে।
তেমনি ইসলামকে দ্বীন হিসেবে ১০০% বিশ্বাস করলে যে কোন সমাধান ইসলামের কাছ থেকেই নেয়া যায়, সাময়িক সমাধান হিসাবে পুজিবাদী জীবন ব্যবস্থা থেকে ব্যাংকিং ব্যাবস্থা নেয়ার দরকার হয় না।
ইসলাম দিয়েছে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যার বাস্তবায়ন একমাত্র খিলাফাহ রাষ্ট্রব্যবস্থার মাধ্যমেই সম্ভব।
যারা খিলাফাহ প্রতিষ্ঠা কঠিন বা অসম্ভব বলে মনে করেন এবং দারুল কুফরের মধ্যেই ভালো থাকতে চান তাদেরি শুধু ইসলামি ব্যাংক দরকার।
কারন এরা না বুঝেন দারুল কুফর, না বোঝেন দারুল ইসলাম। সাম্রাজ্যবাদীদের দালাল সৌদী আরবের মত রাষ্ট্রকে তারা ইসলামি রাষ্ট্রের মডেল মনে করেন, সেই জালিম বাদশাদেরকে মনে করেন মুসলমানদের অভিভাবক।
ঐসব তাগুত রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহের অনুকরনে এরাই ইসলামী ব্যাংকের জন্ম দিয়েছেন এবং এরাই ইসলামী শরীয়ার নাম করে চুটিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।।
ইসলামী_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন????
একটু সহজ কিন্তু কিছুটা কঠোর ভাষায় না বললেই নয়। পতিতালয়ের বাচ্চাদের বাবা খোজার শখ বা প্রয়োজনীয়তা থাকাটা স্বাভাবিক, কারন তারা তাদের বাবাকে চেনে না। স্কুলে ভর্তির সময় সাময়িক সমাধান হিসাবে কোন বাবার নাম লিখতে হতে পারে, যাকে আমরা জন্মসুত্রে বাবা বা ইসলামিক বাবা বলতে পারি।
কিন্তু যার বাবা আছে তারতো ইসলামিক বাবা খোজার প্রয়োজন নাই। কারন সে জন্ম থেকেই চেনে তার বাবাকে।
তেমনি ভাবে ইসলামী ব্যাংক তাদেরি দরকার, যাদের সাময়িক বাবা প্রয়োজন। মায়ের উপর ১০০% বিশ্বাস থাকলে জন্ম থেকে যে বাবা হিসাবে পরিচিত, সে-ই সারা জীবন বাবা হিসেবে ভুমিকা পালন করে।
তেমনি ইসলামকে দ্বীন হিসেবে ১০০% বিশ্বাস করলে যে কোন সমাধান ইসলামের কাছ থেকেই নেয়া যায়, সাময়িক সমাধান হিসাবে পুজিবাদী জীবন ব্যবস্থা থেকে ব্যাংকিং ব্যাবস্থা নেয়ার দরকার হয় না।
ইসলাম দিয়েছে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যার বাস্তবায়ন একমাত্র খিলাফাহ রাষ্ট্রব্যবস্থার মাধ্যমেই সম্ভব।
যারা খিলাফাহ প্রতিষ্ঠা কঠিন বা অসম্ভব বলে মনে করেন এবং দারুল কুফরের মধ্যেই ভালো থাকতে চান তাদেরি শুধু ইসলামি ব্যাংক দরকার।
কারন এরা না বুঝেন দারুল কুফর, না বোঝেন দারুল ইসলাম। সাম্রাজ্যবাদীদের দালাল সৌদী আরবের মত রাষ্ট্রকে তারা ইসলামি রাষ্ট্রের মডেল মনে করেন, সেই জালিম বাদশাদেরকে মনে করেন মুসলমানদের অভিভাবক।
ঐসব তাগুত রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহের অনুকরনে এরাই ইসলামী ব্যাংকের জন্ম দিয়েছেন এবং এরাই ইসলামী শরীয়ার নাম করে চুটিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।।
#ইসলামি_ব্যাংক_কি_শরীয়াহ_ভিত্তিক?????
কেউ যদি ইসলামি পতিতালয় খুলে নিয়ম চালু করে যে,,,,,,,


![নিজের মায়ের সাথে সেক্স করছেন নাতো?
তাও আবার অসংখ্যবার...
জানি একথা ভাবতেই আপনার নিজের ভেতরে ঘৃণা হচ্ছে। অসম্ভব ঘৃণা করছেন আমাকেও, আমি কি লিখতে পারলাম এটা?
আমন কুলাঙ্গারও কি পৃথিবীতে আছে?
যদি বলি আপনিই সেই কুলাঙ্গার, যে অজান্তে প্রতিদিনই নিজের গর্ভধারিণী মায়ের সাথে যৌনমিলনের অপরাধ কাধে নিয়ে বেড়াচ্ছেন। ভাবছেন এটা কি করে সম্ভব?
আবদুল্লাহ্ ইব্ন মাসঊদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেনঃ সুদের সত্তর ভাগের ক্ষুদ্রতম ভাগ এই পরিমাণ যে, কোন ব্যক্তি স্বীয় মাতার সাথে যেনা করে। ইবনে মাজাহ্ , বায়হাকী, হাকেম।
# সুদ খাওয়া হারাম! এটাকে গুরুত্ব দিন।
"ওহে ইমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ খেওনা; আর আল্লাহ্কে ভয়-শ্রদ্ধা করো যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।" (সুরা আহ্লে ইমরান: ১৩০)
# সুদের ভয়াবহ শাস্তিঃ
"আর তাদের সুদ নেবার জন্যে, যদিও তাদের তা নিষেধ করা হয়েছিল, আর লোকের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে তাদের গ্রাস করার জন্যে। আর তাদের মধ্যের অবিশ্বাসীদের জন্য আমরা তৈরি করেছি ব্যথাদায়ক শাস্তি।" (সুরা আন নিসা: ১৬০)
"যারা সুদ খায় তারা এমন ভাবে দাঁড়ায় যাকে শয়তান তার স্পর্শের দ্বারা আহিত করেছে। কেননা তারা বলে -- ''ব্যবসা-বাণিজ্য তো সুদ-কারবারের মতোই।’’ কিন্তু আল্লাহ্ বৈধ করেছেন ব্যবসা-বাণিজ্য, অথচ নিষিদ্ধ করেছেন সুদকে। অতএব যার কাছে তারা প্রভুর তরফ থেকে এই নির্দেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে তার জন্যে যা গত হয়ে গেছে, আর তার ব্যাপার রইল আল্লাহ্র কাছে। আর যে ফিরে যায় তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা, এতে তারা থাকবে দীর্ঘকাল।" (সুরা আল বাকারাহ্: ২৭৫)
সামুরা ইবনে জুনদুব রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন;
নবী মোহাম্মদ সাঃ বলেছেন "আজ রাতে আমি একটি স্বপ্ন দেখেছি যে দু'ব্যক্তি আমার নিকট এসে আমাকে এক পবিত্র ভুমিতে নিয়ে গেল। আমরা চলতে চলতে এক রক্তের নদীর কাছে পৌঁছলাম। নদীর মধ্যস্থলে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে এবং আরেক ব্যক্তি নদীর তীরে তার সামনে পাথর পড়ে আছে। নদীর মাঝখানের লোকটি যখন বের হয়ে আস্তে চায় তখন তীরের লোকতি তার মুখে পাথর খণ্ড নিক্ষেপ করে তাকে স্বস্থানে ফিরিয়ে দিচ্ছে। সে যতবারই ফিরিয়ে আস্তে চায় ততবারই তাকে পাথর মেরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, 'এ কে?'। সে বলল যাকে আপনি রক্তের নদীতে দেখছেন সে হলো সুদখোর"।
সহিহ বুখারি, খন্ড নাম্বার ৪, পরিচ্ছেদ নাম্বার ১৩০০ 'সুদ গ্রহণকারী, তার সাক্ষী ও লেখক'। হাদিস নাম্বার ১৯৫৫।
কাদের কাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে দেখি চেহারা। ভাই এক পয়সা সুদ খাওয়া মানেই জীবন বরবাদ। পেটের ভেতরে হারাম ঢুকিয়ে ফেলেছেন। এক্ষুনি তাউবা করুন, সুদের টাকা এখনও কাছে থাকলে পুরোটাই সাদকা করে দেন। টাকার মায়ায় জান্নাত হারাইয়েন না।
সুদ শুধু খারাপই নয় বরং একটি হারাম এবং হারামকে হারাম বলে না মানার অর্থই কাফির হয়ে যাওয়া। আজকাল অনেকে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টাকে আমলে নিচ্ছেন না। ভুল ক্রমেও এক পয়সা সুদ খেয়ে থাকলে নামাজ রোজার আর কোন দাম নাই, কিছুই কাজে আসবেনা।
সুদের ব্যবসা মানেই ব্যাংক। এই ব্যাংক আমাদের মুসলিমদের ঈমান ধ্বংসের জন্য কাফিরদের অনেকগুলো সুপরিকল্পিত সিস্টেম এর মাঝে একটি। আমাদের কে কিভাবে হারাম কাজ কৌশলে করিয়ে নেওয়া যেতে পারে এজন্য তারা কৌশল খাটাচ্ছে আর আফছস আমরা সেগুলোতে পা দিয়ে জিন্দেগী নষ্ট করছি। আমাদের মা বোনদের 'সঞ্চয়' নামক ধোঁকার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে এক শ্রেণীর দালাল ও মাগিবাদী(নারীবাদী) ব্যবসায়ীরা ও সুদস্তান (ব্যাংক) এর মালিকেরা শয়তানের এজেন্ট হয়ে আমাদের ঈমান ধ্বংসের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমাদের পেটে কিভাবে হারাম সুদের টাকা ঢোকানো যায় সেই চিন্তায় মগ্ন। অথচ আল্লাহ্ সুডঃ দেওয়া প্লাস নেওয়া এবং সাক্ষী থাকাও হারাম করেছেন।
আর আল্লাহ্র চাইতে কে বেশি ভালো বোঝেন?
# এই সুদের টাকা কি করবেন?
সুদের টাকা ইসলামী ব্যংকের দিলে হালাল হয়ে যায়না বরং দাড়ি টুপি পরে সুদ খেলেও সুদখোর আর স্বাভাবিকভাবে খেলেও সুদখোর। কিন্তু টাকা তো হালাল করতেই হবে। এজন্য আপনার সুদের টাকা হালাল করুন সেইভাবে যেভাবে আল্লাহ্ শিখিয়ে দিয়েছেন।
"আর যা-কিছু তোমরা সুদে দিয়ে থাকো যেন এটি বাড়তে পারে, -- তা কিন্তু আল্লাহ্র সমক্ষে বাড়বে না। আর যা তোমরা দিয়ে থাকো যাকাতে আল্লাহ্র চেহারা কামনা করে, তাহলে এরাই স্বয়ং বহুগুণিত লাভবান হবে।" (সুরা আর-রুম: ৩৯)
এজন্য আপনার সুদের পুরো অর্থ সাদকা করুন। আর যদি সুদ দিয়ে থাকেন তবে আপনার সম্পদ থেকে সাদকা করুন।
আমি কি সাদকা করার উত্তম পথ আপনাদের দেখিয়ে দিব?
এই টাকা/অর্থ সাদকা করার সর্বোত্তম খাত হলো "জ্বিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ্"।
আল্লাহ্ বলেন,
"যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহর রাহে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহ্র কাছে আর তারাই সফলকাম। [ আল কুরআন, ৯-২০]"
"তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে, এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পার। [ আল কুরআন, ৯-৪১]"
"কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান ও মালের দ্বারা। তাদেরই জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে। [ আল কুরআন, ৯-৮৮]"
"আল্লাহ্ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহ্র রাহে: অত:পর মারে ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হল মহান সাফল্য। [ আল কুরআন, ৯-১১১]"
"মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দিব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে? তা এই যে, তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্খাপন করবে এবং আল্লাহর পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বোঝ। [ আল কুরআন, ৬১-১০,১১]"
"সবচেয়ে উত্তম মানুষ ও মুমিন হলো সেই যে আল্লাহ্র পথে জীবন ও মাল দিয়ে জ্বিহাদ করে"। সহিহ বুখারি, ৫ম খন্ড, পরিচ্ছেদ ১৭৪৩, হাদিস নাম্বার ২৫৯৫।
অর্থাৎ জ্বিহাদ জীবন ও অর্থ দিয়ে হয়। যার যেটা আছে সে সেটাই দিবে। জান থাকলে জান, মাল থাকলে মাল আর উভয় থাকলে উভয়ই।
আপনি কি চাননা নিজ মাতার সাথে ঘৃণ্য অপরাধের চেয়ে ওই টাকায় মুজাহিদদের সাহায্য করে আল্লাহ্র পথের জ্বিহাদে অংশ নিতে?
ইবনে তাইমিয়া রহঃ ফতোয়া দিয়েছেন যে, "যদি একদিকে শত শত মুসলিম না খেয়ে মারা যায় আর অপরকে জ্বিহাদের অর্থের জন্য মুজাহিদরা আহাজারি করে তাহলে আগে মুজাহিদদের অর্থ দাও কারণ যারা না খেয়ে মারা যাচ্ছে আল্লাহ্ তাদের সহায় হবেন কিন্তু মুজাহিদরা অর্থ না পেলে আল্লাহ্র কালিমা/দ্বীন পরাজিত হবে।" আর বিশ্বের সকল আলেম এবং মুফতি, মুহাদ্দিস এই ফতোয়ার সাথে কোন দ্বিমত নেই।
ওহে মুসলিম, তোমার অর্থে একটু কুফফার মরতে পারে, তোমার অর্থে একটি মুসলিম শিশু খাবার খেতে পারে, তোমার অর্থে একটি মুসলিম ভাইয়ের চিকিৎসা হতে পারে। তোমার অর্থে একটি মুসলিম পিতার, একটি মুসলিম মাতার জীবন রক্ষা হতে পারে, কাফিরের ভয়াবহ ড্রোনের সামনে আল্লাহ্র সৈনিক লড়তে পারে।
সুদের টাকার জন্য নিজ মাতার সাথে জিনাহ্ এর গুনাও হলোনা আবার অর্থ দিয়ে তুমি জ্বিহাদ করলে ফলে জ্বিহাদের সাওয়াব পেলে। এর চেয়ে উত্তম ইবাদাত কি হতে পারে?
একটি বুলেটের দাম ৩০ টাকা, তুমি কয়টা কাফিরকে জাহান্নামে পাঠাতে চাও?
#FeeSabilillah](https://fbcdn-sphotos-b-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/s403x403/1488059_537965092966091_18678814_n.jpg)