সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৪

ইসলামী ব্যাংক কি সুদ মুক্ত!

#‎ইসলামী_ব্যাংকিং_এর_নেপথ্যে‬,,,,, ,,,,,
উসমানী খিলাফতের শেষের দিকে খিলাফাত রাষ্ট্রের মধ্যে পশ্চিমা ভাবধারায় বেড়ে ওঠা কতিপয় তথাকথিত ইসলামী ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটে। এদের মধ্যে খাইরুদ্দিন আত তিউনিস (১৮১০-৯৯), জামাল আদ দ্বীন আল আফগানী (১৮৩৮ -১৮৯৭), রাশিদ রিদা ( রাশিদ রিদা ( ১৮৬৫-১৯৩৫) ও এদের ভাবধারায় বেড়ে ওঠা হাসান আল বান্না (১৯০৪-১৯৪৯) প্রমুখ। এরা সমস্যা সঙ্কুল ও ধ্বংসোন্মুখ খিলাফাত ব্যবস্থাকে উদ্বারের জন্য পশ্চিমা গনতন্ত্র, ফ্রিডম অফ বিলিফ ইত্যাদি কন্সেপ্ট এর মাধ্যমে খিলাফাহ ব্যাবস্থা সংস্কারের দাবী তোলেন। ইতোমধ্যেই ১৯২৪ সালে ধ্বংস হয়ে যায় খিলাফাহ ব্যবস্থা। তখন এই সংস্কারপন্থীরাই খিলাফাহ পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ শুরু করলে অনেক উদ্দ্যেশ্যহীন আন্দোলনের জন্ম হয়। কুফর শক্তির বিরুদ্বে সশস্ত্র করে অকথ্য অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে ইখওয়ানুল মুসলেমিন প্রচলিত গনতান্ত্রিক ব্যাবস্থার সাথে আপোষ করে খিলাফহ পুনরুদ্ধার থেকে ১৮০ ডিগ্রি কোনে দুরে সরে আসে।
এই পরাজিত সৈনকদের পরাজিত মানসিকতা থেকে আসতে থাকে ইসলামের নামে নানান ধরনের কুফরি ধারনা সমুহ। ইসলামী পুজিবাদ, ইসলামী গনতন্ত্র, ইসলামী গ্রোবালাইজেশন এবং ইসলামী ব্যাংকিং এরি ফলাফল। কারন খিলাফাহ পুনরুদ্ধার করা তখন তাদের কাছে দুঃসাধ্য বা অসম্ভব বলে মনে হয়। তাই একমাত্র সমাধান হিসাবে খিলাফাতকে বাদ দিয়ে তারা সাময়িক ভাল থাকার উদ্দেশ্যে এইসব কন্সেপ্টের জন্ম দেন এবং উম্মাহর মধ্যে যে হক পন্থীরা ছিলেন তাদের চিন্তাকেও তারা এই ইসলামাইজেশন ধারনা দিয়ে ধীরে ধীরে দুর্নীতিগ্রস্থ (আনিসলামিক) করে ফেলেন। তাই অনেক দুর্নীতিগ্রস্ত চিন্তার অধিকারি তথাকথিত ইসলাম পন্থীদের সাথে সাথে উম্মাহও ইসলামী অর্থনীতি বলতে ইসলামি ব্যাংক, ইসলামি বীমা বোঝেন যা সংস্কারপন্থী তথাকথিত আলেমদের দুর্নীতিগ্রস্ত চিন্তার ফসল।।।।।
‪#‎ইসলামী_ব্যাংকের_ইতিহাস‬,,,,,,
আহম্মাদ নাজ্জার নামে এক মিসরীয় মুসলিম ১৯৬৩ সালে মুনাফা বন্টনের উপর ভিত্তি করে মিশরের মিট ঘামির শহরে সেভিংস ব্যাংক নামে ইসলামী মোড়কে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এই প্রোজেক্ট চালু থাকে। ১৯৭২ সালে এই প্রোজেক্ট ' নাসের সোস্যাল ব্যাংক ' হিসাবে রুপান্তরিত হয়, যা আজ পর্যন্ত চলছে। এরি ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামি ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।। আর প্রথম ইসলামি কমার্সিয়াল ব্যাংক হিসাবে ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে " দুবাই ইসলামি ব্যাংক"। বাংলাদেশে এর ধারাবাহিকতায় ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় " ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ " প্রতিষ্ঠিত হয়।।।।।
তথাকথিত ইসলামী চিন্তাবিদদের দুরদর্শী চিন্তা না থাকায় ইসলাম তথা খিলাফাহ ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার সম্ভবনা তারা দেখতে না পেয়ে সাময়িক ভাবে ভালো থাকার দর্শন গ্রহন করেন এবং খিলাফাহ পুনরুদ্ধারের কঠিন ও কন্টকাকির্ন পথ বাদ দিয়ে প্রচলিত পুজিবাদী ব্যবস্থার ইসলামীকরন প্রকল্প হাতে নেন। এটি তাদের দুর্নীতিগ্রস্ত ও সংকির্ন চিন্তারি পরিচায়ক। বস্তুত প্রচলিত পুজিবাদী ব্যবস্থাকে ঠিক রেখে কিভাবে তা ইসলামীক করা যায় এই চিন্তার ফসলি হল ইসলামি ব্যাংক, ইসলামি হাসপাতাল, ইসলামিক স্কুল, ইসলামিক টিভি ইত্যাদি।।।।
‪#‎ইসলামি_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন‬??????
একটু সহজ কিন্তু কিছুটা কঠোর ভাষায় না বললেই নয়। পতিতালয়ের বাচ্চাদের বাবা খোজার সখ,,,,,,,,,

#‎ইসলামী_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন‬ এই আলোচনা করার আগে আসুন দেখে নেই ইসলামী ব্যাংক সুদ মুক্ত কিনা,,,,
‪#‎ইসলামী_ব্যাংক_কি_সুদ_মুক্ত‬???????????
মায়ের পেটে বাচ্চা কি হালাল খাবার খায়?? এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করে মা কি খাবার খান তার উপর। মায়ের খাবার মেন্যুই যদি হয় সর্বদা হারাম তাহলে পেটের বাচ্চাকে কিভাবে হালাল খাবার সরবারহ করা যায় তা বোধগম্য নয়।
যে কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তফসিলভুক্ত অন্যান্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলো একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ বাধ্যতামূলকভাবে জমা রাখে,
এছাড়াও রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক- বানিজ্যিক ব্যাংক ও বানিজ্যিক ব্যাংক - বানিজ্যিক ব্যাংক লেনদেন।
ফলশ্রুতিতে, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের সাথে লেনদেনে যে সুদ জড়িত থাকে তা নস্ট্রা একাউন্টের মাধ্যমে বাদ দিয়ে জনকল্যাণমুলক কাজে খরচ করে তথাকথিত ইসলামী ব্যাংকের সুদমুক্ত থাকার যে অপচেষ্টা তা মুলত; পচা পানির ড্রেনে ডুব দেয়ার পর নাপাক সাপ্লাই পানি (যার সাথে সুয়ারেজ লাইন এক হয়ে গেছে) দিয়ে গোসল করারি নামান্তর। যার ভিত্তিই হল সুদ তা সুদমুক্ত করার চেষ্টা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। যেখানে ইসলামে রয়েছে অর্থনীতির সুস্পষ্ট নীতিমালা ও ব্যবস্থাপনা, সেখানে ব্যাংক ব্যবস্থাকে সুদমুক্ত করে ইসলামী নাম দিয়ে ব্যবহার করার মানসিকতা ইসলামের প্রাতি আস্থার অভাব ব্যতিত আর কি নির্দেশ দিতে পারে???

এখন আসি,,,
ইসলামী_ব্যাংক_প্রয়োজন_কেন????

একটু সহজ কিন্তু কিছুটা কঠোর ভাষায় না বললেই নয়। পতিতালয়ের বাচ্চাদের বাবা খোজার শখ বা প্রয়োজনীয়তা থাকাটা স্বাভাবিক, কারন তারা তাদের বাবাকে চেনে না। স্কুলে ভর্তির সময় সাময়িক সমাধান হিসাবে কোন বাবার নাম লিখতে হতে পারে, যাকে আমরা জন্মসুত্রে বাবা বা ইসলামিক বাবা বলতে পারি।
কিন্তু যার বাবা আছে তারতো ইসলামিক বাবা খোজার প্রয়োজন নাই। কারন সে জন্ম থেকেই চেনে তার বাবাকে।
তেমনি ভাবে ইসলামী ব্যাংক তাদেরি দরকার, যাদের সাময়িক বাবা প্রয়োজন। মায়ের উপর ১০০% বিশ্বাস থাকলে জন্ম থেকে যে বাবা হিসাবে পরিচিত, সে-ই সারা জীবন বাবা হিসেবে ভুমিকা পালন করে।
তেমনি ইসলামকে দ্বীন হিসেবে ১০০% বিশ্বাস করলে যে কোন সমাধান ইসলামের কাছ থেকেই নেয়া যায়, সাময়িক সমাধান হিসাবে পুজিবাদী জীবন ব্যবস্থা থেকে ব্যাংকিং ব্যাবস্থা নেয়ার দরকার হয় না।
ইসলাম দিয়েছে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যার বাস্তবায়ন একমাত্র খিলাফাহ রাষ্ট্রব্যবস্থার মাধ্যমেই সম্ভব।
যারা খিলাফাহ প্রতিষ্ঠা কঠিন বা অসম্ভব বলে মনে করেন এবং দারুল কুফরের মধ্যেই ভালো থাকতে চান তাদেরি শুধু ইসলামি ব্যাংক দরকার।
কারন এরা না বুঝেন দারুল কুফর, না বোঝেন দারুল ইসলাম। সাম্রাজ্যবাদীদের দালাল সৌদী আরবের মত রাষ্ট্রকে তারা ইসলামি রাষ্ট্রের মডেল মনে করেন, সেই জালিম বাদশাদেরকে মনে করেন মুসলমানদের অভিভাবক।
ঐসব তাগুত রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহের অনুকরনে এরাই ইসলামী ব্যাংকের জন্ম দিয়েছেন এবং এরাই ইসলামী শরীয়ার নাম করে চুটিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।।

#‎ইসলামি_ব্যাংক_কি_শরীয়াহ_ভিত্তিক‬?????
কেউ যদি ইসলামি পতিতালয় খুলে নিয়ম চালু করে যে,,,,,,,











Saif Mahmud

মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০১৪

আমিরিকান পণ্য ‘গণতন্ত্র’ –কে বর্জন করি!!

Boycott Democracy ...
যে কারণে ইসরাইলী পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া হয়েছে, সেই একই কারণে আমিরিকান পণ্য বর্জনেরও দাবী রাখে। চলুন আমরা আমিরিকান পণ্য ‘গণতন্ত্র’ –কে বর্জন করি!!

এই গণতন্ত্র আমিরিকান পণ্য হিসেবে পরিচিতি পেলেও ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে এটি জায়ানিস্টদের চিন্তার ফসল, তারাই দুনিয়াব্যাপী এই কুফরকে ছড়িয়ে দেয়ার মূল কারিগর। সেই জায়ানিস্ট যারা গাজাতে আমাদের ভাই-বোনদের রক্ত দিয়ে হলি খেলায় মেতে উঠেছে। এরা হল সেই জায়ানিস্ট যারা সুদ ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সারা বিশ্বের অর্থ সম্পদকে নিজেদের মুঠোয় আনতে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করেছে। এরাই প্রচলন করেছে ধর্ম নিরপেক্ষতা!! সাহস আছে এইগুলো বর্জনের???

আরে ভাই, জায়ানিস্ট ইহুদিদের কিছু খাদ্যপণ্য বর্জন করে আপনি হয়ত নিজের নূন্যতম ঈমান নিয়ে সন্তুষ্ট হচ্ছেন কিন্তু বাস্তবতা হল যে সেই সব পণ্যগুলো হালাল কিন্তু আপনি তাদের প্রচলিত হারাম পণ্যগুলো বর্জন করছেন না। এই ব্যাংকিং ব্যবস্থা আর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হল ইসলাম বিধ্বংসী ব্যাপার!! ব্যাংকের সুদ আর গণতন্ত্রের আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে মানব রচিত আইন হচ্ছে হারাম। যে হালাল বলল সে কাফির। যে হারাম বলেও পালন করল সে চরম রকমের জালিম, জাহিল এবং ফাসিক। জায়ানিস্টরা আমাদের ভাই-বোনদের হত্যা না করলেও এই পণ্যগুলো বর্জন বা না বর্জন হল ঈমানের প্রশ্ন। দেখি কত জন আছেন এই ব্যাংক আর গণতন্ত্রকে বর্জনের সাহাস দেখাবার জন্যে??

ইসলামিক ব্যাংক, ইসলামিক গণতন্ত্র হালাল কি হারাম এই প্রশ্নে যাবো না। জায়ানিস্টদের খাদ্যপণ্য ব্যবহার করাও হালাল কিন্তু আপনি বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কেন?? কারণ, এতে তাদের কিছুটা হলেও ক্ষতি হবে, তাদের প্রতি অন্তত ঘৃণা প্রদর্শন হবে, এই ভেবেই তো?? আরে ভাই, ইসলামিক ব্যাংকের লেনদেনও কিন্তু সুদভিত্তিক ব্যাংকগুলোর সাথে যেটা জায়ানিস্টরাই নিয়ন্ত্রণ করে আর ইসলামিক গণতন্ত্রও সেকুলার গণতন্ত্রের সাথে উঠাবসা করে, অর্থাৎ লাভ যা হবার কুফফারেরই হয়। আরো ভালো করে বললে সেই জায়ানিস্ট ইহুদিদেরই হয়, যারা আমাদের ভাই-বোনদের হত্যা করার নেশায় বুদ হয়ে আছে!!! আর আপনি কি না এখনো তাদের টাইটেল নকল করে পাশে ইসলামিক লাগিয়ে ক্ষান্ত হচ্ছেন?? অথচ কুফফার, তাগুতকে নয় বরং আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতা’আলাকেই খুশি রাখাটাই ছিল আমাদের লক্ষ্য, এটাই আমাদের ধর্ম! এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না...



তো আপনি পণ্য বর্জন করবেন, তাই না?? জায়ানিস্ট ইহুদিদের একটু হলেও ক্ষতি করতে চান। অথচ সেই আপনই তাদের বানানো সুদী ব্যাংকে টাকা রাখেন আর তাদের বানানো কুফরী গণতন্ত্রে বসে বসে সুশীল রাজনীতি করেন!! এর মাধ্যমে যে আপনি তাদের কতটা লাভবান করছেন, সেই জ্ঞান যদি আপনার না থাকে, তবে বলতে হয় আপনার জীবনের ষোল আনাই এখন পর্যন্ত বৃথা।

আমিরিকা এবং তার দোসররা, ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো, ওয়ার অন টেররে বিশ্বাসী গোষ্ঠিগুলো যতফোঁটা রক্ত ঝরিয়েছে আমাদের মুসলিম ভাই-বোনের, আল্লাহ আয ওয়াজাল নিশ্চয়ই কড়ায় গন্ডায় এগুলোর হিসেব চুকিয়ে দিবেন। এদের প্রত্যেকের পণ্য বর্জন করার কথা কেন আমাদের মনে হয় না?? যতটুকু সম্ভব হোক, দাবীটাও কেন উঠল না?? না কি গাজার মুসলিমরাই কি শুধু মুসলিম?? আরাকান, কাশ্মীর, চেচনিয়া, সিরিয়া বিশেষ করে ইরাক, ইয়ামান আর আফগানের মুসলিমরা মুসলিম না??? তাদের যখন আমিরিকানরা প্রকাশ্যে হত্যা করে, তখন কই থাকে আমাদের চোখের জল আর নাকের জল?? আসলে গাজা একটা ইভেন্ট হয়ে দাড়িয়েছে। প্রতি দু’বছর পরপর ইসরাইলিরা শো আয়োজন করে আর পথভ্রষ্ট উম্মাহ লোকদেখানো আল-ওয়ালা প্রদর্শনে হুমড়ি খেয়ে পড়ি!! সত্য কথা হ্যাসট্যাগ আর পণ্য বর্জন ছাড়া তারা আর কিই বা করতে পারে তারা?? পণ্য বর্জন যদি করতে হয়, তবে কেন নয় ব্যাংক আর গণতন্ত্র??

গণতন্ত্র আর ব্যাংক হোক সেই সব পণ্য যেগুলো জায়ানিস্টরা নিজেদের সাম্রাজ্য গড়তে তৈরী করেছিল, সেগুলোকেই বর্জন করে নিজেদের সাধ্যের মধ্যে থাকা অর্থপূর্ণ এবং সুদূরপ্রসারী কাজগুলো করি। খাদ্যপণ্য বর্জন করে তদের তেমন কোন ক্ষতিই হবে না। যেমন সুদ বন্ধ না করে যাকাত প্রতিষ্ঠার পরও তার ফলাফল পাওয়া যায় না। গণতন্ত্র আর ব্যাংক ধ্বংস করতে না পারলে, তাদের থামানো যাবে না। আর আমরা জানি এগুলো অস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করা যায় না, গণতন্ত্র এবং ব্যাংক ধ্বংস হয় বর্জনের মাধ্যমে। যে বর্জন করল না, সে এইসব কুফরীরই রক্ষক! কাফিরকে অস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করা যায় কিন্তু কুফরকে ধ্বংস করতে দরকার সেগুলোকে বর্জন করা।

আসুন জায়ানিস্ট ইহুদিদের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম ব্যাংক এবং গনতন্ত্রকে রিজেক্ট করেই যুদ্ধে নামি। আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতা’আলা শেষ পর্যন্ত দেখে নিতে চান যে কে আসলেই তার পক্ষে। তিনি সহজ করুক, আমাদের কবুল করুক। তিনি যেন এইসব তাগুত এবং তাদের কাজকর্ম বর্জন করে তাওহীদ গ্রহণের ব্যাপারে আমাদের কবুল করে নেন।

ইনশা’আল্লাহ শহীদ হওয়া ভাই-বোনেরা তো পার পেয়ে যাচ্ছে কিন্তু রেখে যাচ্ছে আমাদের অনেক বড় কঠিন পরীক্ষার মাঝে, নূন্যতম নিফাক্ব যেখানে জাহান্নামের অতল গহবরে ফেলে দিতে পারে। আল্লাহ আয ওয়াজাল তার বান্দাদের সঠিক পথে রেখে হিফাজাত করুক। -আমীন।

https://www.facebook.com/saajiidi1/posts/562046760566432/




#
বর্তমানে আমাদের শিরা উপশিরাতে জেঁকে বসা সুদ ভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা মূহুর্তেই ত্যাগ করা যাবে কি না তা ভিন্ন প্রশ্ন, কিন্তু ব্যাংকের বিরুদ্ধে কিছু বললে, মুসলিমরাই যেভাবে গাল-মন্দ, অথবা ব্যক্কল টাইপ ট্যাগ দেয়!!! একটা হাদিস শুনেছিলাম যে রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, “একটা সময় আসবে যে তোমাদের মধ্যে যারা সুদ খাবে না, তাদের গায়েও সুদের ছিঁটে-ফোঁটা আসবে।”

নারী সংক্রান্ত আলোচনা সবারই ভালো লাগে কিন্তু ঈমানদাররা এইসব নিয়ে মেতে থাকতে পারে না। এইরকম প্রসঙ্গ চলে আসলে সেটাকে এড়িয়ে যেতে হয়, এর মানে এই না যে সে নারী বিদ্বেষী বা সে অতি পরহেজগার। এর মানে যে সে চেষ্টা করছে, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা। অনেককে বলতে শুনা যায় যে, “আমরা কি অন্য কিছুর ভিত্তিতে আলোচনা করছি না কি?? মন সাফ রাখলেই চলে!” আরে ভাই বললাম তো আমার মন সাফ নাই, আমারে একটু সাফ করতে দে এবার।

তেমনি ভাবে আমার অবশ্যই অর্থ সম্পদের লোভ আছে। কোটি কোটি টাকার মোহ আমি মূহুর্তেই ছেড়ে দিতে পারব না। তবে কোন পরিস্থিতি যদি দ্বীনের কিছুটা পরিপন্থী হয়ে যায় অথবা সন্দেহ থাকে সেটাকে আমি ন্যায্য বলে প্রচারও করব না। আরে ভাই এখনেই গরীবরা ধনীদের চেয়ে এগিয়ে যায়। তাদের তো ব্যাংকে টাকা রাখার প্রয়োজনই পড়ে না। কিন্তু কোটি পতির???? আমি মূহুর্তেই কোটি টাকাকে আবহেলা করছি, বাস্তবে পারব কি না জানি না। কিন্তু লেখার সময়ও যদি আমি মনে করি যে কোটি টাকা কই রাখবো?? আরে এখন ব্যাংকের বিরুদ্ধে লিখলে তো জনগণ (পড়ুন কিছু ধনী শ্রেণী) বিপদে পড়বে.... এভাবে করতে থাকলে তো একজনও ব্যাংকের বিরুদ্ধে যাবে না আর ব্যাংকও আগের মত চলতে থাকতে থাকতে গুনত্তোর ধারায় শক্তিশালী হয়েই চলবে।

আরেকটা কথা শোনা যায় যে খিলাফাহ আসলে তো আমরা সুদহীন ব্যাংক চালু করতে পারবো। আরে ভাই ‘ব্যাংক’ই কেন চালু করতে হবে?? ‘অন্য কোন নাম’ কি আমাদের মাথায় আসে না?? একটি শব্দ জায়ানিস্টরা সৃষ্টি করেছে, আমরা তাদের এনকাউন্টার দিতে গিয়ে নিজেরা তো কোন ভালো কিছু করতেই পারছি না, উল্টো তাদের পন্থা আংশিক নকল করতে গিয়ে আমাদের উত্তম পন্থা বাদ দিয়ে দিচ্ছি। ব্যাংক, গণতন্ত্র যত ভালো শব্দই হোক, আমরা সেটার বিপরীত শব্দ ব্যবহার করব। এখানেই হল বর্জনের মোহনীয়তা।

এখন আপনি ব্যাংক থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারছেন না, সেটা ভিন্ন কথা। সেটা জরুরী অবস্থা। সেটাকে সাইডে রাখুন। প্লিস জরুরী অবস্থাকে বারবার অযুহাত হিসেবে প্রকাশ করতে থাকলে সেটা একসময় সাধারণ অবস্থাতে পরিণত হয়। এখন কোটি কোটি টাকা দিয়ে আল্লাহ আপনাকে পরীক্ষা করছেন এবং তিনি সাধ্যের অতিরিক্ত পরীক্ষা বান্দার উপর চাপান না। আমার কোটি টাকা নেই, তাই আমার সেকেন্ড দেরী হয় নি ব্যাংক ব্যবস্থাকে রিজেক্ট করার জন্য। আপনাদের হয়ত সময় লাগবে। সুতরাং সময়টা গোপণেই লাগান। দরকার কি এই বলা যে ব্যাংক ছাড়া আমরা কিভাবে চলব? কিছু দিন চলতে পারবেন না, তাই বলে এই না যে ব্যাংক হালাল হয়ে গেল। আর আপনি যদি সাচ্ছন্দে ব্যাংকে টাকা রেখে থাকতে পারেন সেটা তো দোষের পর্যায়েই পড়ে। বিপদে পড়লে যখন শুকরের মাংস খাওয়া যায়, তখন সেটাতে ঘৃনা রেখে খাওয়াটার নিয়ম বলেই জানি এবং জীবন বাঁচাতে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু বলেই জানি। স্বাদ করে, রসম পাঁকিয়ে শুকরের মাংস খাওয়াটা তো চিন্তার বাহিরে। কিন্তু ব্যাংকের ক্ষেত্রে কি আমরা সেই রকমটা করছি??

অধিকাংশ লোক হল গরীব। তাদের ব্যাংক দরকার হয় না। গুটি কয়েক বড়লোক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে তো ব্যাংকের বিরুদ্ধে এত গুরুত্বপূর্ণ একটা ইস্যুকে চাপা দিতে পারি না। কোক, পেপসি ছাড়াটা খুব সহজ, এখন দেখি কতজন গণতন্ত্র আর ব্যাংক ত্যাগ করতে পারেন, যতি আসলেই ত্যাগ করার অর্থটা বুঝে থাকেন। আল্লাহর জন্য ত্যাগ করা।

আরো একটা হাদিস শুনেছিলাম যে, “গরীবরা ধনীদের আগে জান্নাতে যাবে।”







শুক্রবার, ৬ জুন, ২০১৪

সুদ মুসলিমের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার হতে পারে না


যে সত্য অন্বেষণ করে মন থেকে, সে পড়ে। সে প্রশ্ন করে কিন্তু যুক্তি খুব কমই দেয়। যুক্তি দিতে হয় কোন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে। কোম ধ্রুবকের ক্ষেত্রে যুক্তি চলে না। ইসলামে যে সব কাজ হালাল করা হয়েছে, সেগুলো হল ধ্রুবক আর এক্ষেত্রে এগুলো এতটুকু পরিবর্তনের জন্য বিতর্কটা হল, এগুলো সম্পর্কে যে স্পষ্ট এবং সত্যিকারের জ্ঞানটা নেই তা প্রমাণ করা। আমাদের আরেকটি সমস্যা হল যে, আমরা মূর্খ লোকদের কাছ থেকে অনেক জ্ঞান আশা করি এবং সবকিছু ইনস্ট্যান্ট পেতে চাই। “ইসলামের যে সব জিনিস ভালো শুনতে, সেগুলো পালন করব আর যে সব জিনিস একটু অন্যরকম সেগুলো তো জানাই হয় না কারণ আমি তো আর শরীয়াহ বিষয়ে পড়াশুনা করি না, দ্বীনের জ্ঞান আমার একটুও নেই আর কেউ চেষ্টা করতে বলে আমার ইগোতে খুব লাগে, আর এই সব ঘাটাঘাটি করার সময় কই।? তাই যখন কেউ এইসব বিষয়ে জানায়, তখনই আমার মাথায় আগুন ধরে যায়। এতদিন কি আরামে নিজের মনগড়া মতবাদকে একমাত্র মানবতা হিসেবে বিশ্বাস করে আসছি আর ইসলামের নামে চালিয়ে দিয়ে আসছি, এইসব এক্সট্রিমিস্টরা, রেডিক্যালরা এইসব কি বলছে!” এক্সট্রিমিস্ট আর রেডিক্যাল শব্দগুলো দিয়েই আসলে তাদের বুঝা উচিত ছিল যে তারা ইসলাম পালন করে না, আর এক্সট্রিমিস্ট আর রেডিক্যালরা পালন করে অথবা অন্তত চেষ্টা করে। অথচ তা করলেও তাদের মনে আগুন ধরে যায়, কারণ তার ফিতরাহই তাকে বলে, “তুই মুনাফিকের মত!”


সুদী ব্যাংক, সুদ এইসব নিয়ে তারা কখনোই সুদী ব্যাংকে যারা চাকুরী করে তাদের সাথে তর্ক, বিতর্ক করে না। কেন? কারণ অনুসদ্ধান করলে দেখা যায় যে তারা নিজেরাই সুদী ব্যাংকে চাকুরী করে অথবা করতে আগ্রহী। এইসব আত্মীয়র বাসায় দেদারসে খাওয়া-দাওয়া, লেনদেন চলে! এখন এদের সুদী কারবার নিয়ে খোঁচা দেয়া কি ঠিক হবে? এরাই আবার বলে, জঙ্গিরা স্কুল ছাত্রী ধরে নিল কেন? বোমা মারল কেন? এইসব প্রশ্ন করতে করতে এত মানবতা নিজেদের মধ্যে রাখায় আর সস্তি পায় না। জঙ্গিরা যদি সুদ খেত, অথবা আড়ালে আবডালে এইসব খ্রিস্টান মেয়েদের সাথে ব্যভিচার করত তখন কিন্তু জঙ্গিদের প্রতি এদের কোন অভিযোগই থাকত না। আসলেই না, কারণ যারা এইসব করে, প্রচার-প্রসার ঘটায় তাদের প্রতি বিন্দু মাত্র অভিযোগও তাদের নেই। যদি থাকত, তবে তারা এদের বিরুদ্ধে প্রবল কন্ঠে কথা বলত। আসলে তারা এগুলোকেই স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নিচ্ছে। জঙ্গিরা কিছু খ্রিষ্টান মেয়েকে জোর করে কাপড় পরালে তাদের যতটুকু আপত্তি, সে সব মেয়েকে তাদের বাপ-ভাইরা দিন দুপুরে মিডিয়ার কাছে বিক্রি করলে অথবা মুসলিম যুবকরাই গোপনে তাদের কাপড় খুলে নিলে এদের এতটুকুও আপত্তি হয় না। এটাই তাদের কাছে স্বাভাবিক।



একজন মুসলিমের কাছে সুদ খাওয়ার ব্যাপারটি স্বাভাবিক হতে পারে না। হতে পারে অনেকদিন ধরে অনেক মুসলিম তা হালালের মত করে খেয়ে আসছে কিন্তু কিয়ামতের আগ পর্যন্ত এইকজন মুমিন এই ব্যাপারটিকে ঘৃণা করেবে এবং পৃথিবীর বুকে অস্বাভাবিক কাজ হিসেবেই বিবেচনা করবে। তেমনি বেশ্যাবৃত্তি, ব্যভিচার, অশালীনতা, কুশিক্ষাকেও মুমিনরা পৃথিবীর বুকে অস্বাভাবিক কাজ হিসেবেই জানে, যদিও সেগুলো হালালের মত করে মানুষজন করে আসছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় অস্বাভাবিক ব্যাপার হচ্ছে এক আল্লাহর ইবাদত না করে শয়তান যাকে ইবাদত করতে বলে তার ইবাদত করা। নিজের অবর্জনা যুক্ত নফসের ইবাদত, তাগুতের ইবাদত করতে করতে আল্লাহর ইবাদত করার টাইম কই বাপু? ইসলামকে নিজের যুক্তির দাস যারা বানাতে চায়, তাদের জন্য বলছি, ইবলিশ কিন্তু আল্লাহর আদেশের বিপরীতে নিজের বাকস্বাধীনতাই প্রয়োগ করেছিল মাত্র!!


গণতন্ত্র বনাম ইসলাম।
জিবনের প্রতিটি পর্যায়ে এদুটি ভিন্ন ধর্মের সংঘাত চলছে অনিবার্যভাবে। দুঃখ্জনক হলেও বাস্তবতা হচ্ছে প্রতিটি সংঘাতে গণতন্ত্রই বিজয়ী। গণতন্ত্র এখন প্রশাসক, ইসলাম শাসিত। গণতন্ত্র ইসলামের যেটুকুর বৈধতা দেয়, শুধু সেটুকুই পালনীয়। বাকিটা বর্জিনীয়!
গণতণ্ত্র আমাদের জন্য নামাজ রোজাকে জায়েজ করেছে, আমরা তা পালন করছি। গণতন্ত্র জিহাদকে হারাম করেছে, আমরা তা বর্জন করেছি। গণতন্ত্র সুদকে হালাল করেছে, আমরাও তা হালাল করে নিয়েছি। গণতন্ত্র বাল্য বিবাহকে হারাম করেছে, আমরাও তা হারাম করে নিয়েছি। বিজয়ী গণতন্ত্রের এমন অসংখ্য উদাহরণ আজ আমাদের সামনে স্পষ্ট। দিনের পর দিন গণতন্ত্র ইসলামের হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করে চলছে। কিন্তু... কিন্তু.......




মাছি এবং মৌমাছি। প্রজাতি এক হলেও স্বভাব সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রথমটি নিজের রিজিক অন্বেষণ করে ময়লার ভেতরে। দ্বিতীয়টি নিজের রিজিক অন্বেষণ করে ফুলের ভেতরে। অনুরূপভাবে কিছু মানুষ আছে যারা রিজিক অন্বেষণ করে হারামের মাঝে;পক্ষান্তরে কিছু মানুষ আছেন যারা রিজিক অন্বেষণ করে হালালের মাঝে। অথচ রিজিক অন্বেষণের যে পদ্বতিই আপনি অবলম্বন করেননা কেন;রিজিকদাতা মহান আল্লাহ আপনাকে ওই পরিমাণই দান করবেন যা তিনি আপনার তাকদীরে রেখেছেন। তবে একটি জরুরী মাসআলা জেনে নিন--
নিশ্চিতভাবে হারাম জানা সত্ত্বেও কোনো হারাম খাদ্য (যা হারাম হওয়ার বিষয়টি অকাট্য ও সকলেরই জানা) বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া মারাত্মক গুনাহ ও কুফরি কাজ। তবে উপহাস বা ঠাট্টা উদ্দেশ্য না হলে এ কারণে কাউকে কাফের বলা যাবে না। অবশ্য এক্ষেত্রে লোকটি মারাত্মক গুনাহগার ও ফাসেক বলে গণ্য হবে।আর উপহাস বা ঠাট্টার উদ্দেশ্যে কেউ এরূপ করলে সে কাফের হয়ে যাবে। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত হারাম বস্ত্তর উপর কেউ উপহাস বা ঠাট্টার সাথে বিসমিল্লাহ বলেছে এটা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে কাফের বলা যাবে না।
-হাশিয়াতুত তহতাবী আলাদ্দুর ২/৪৭৮; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৭/৩২৫; আলবাহরুর রায়েক ৫/১২৪

শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

সুদকে বর্জন কর


আল্লাহর সাথে যুদ্ধ ঘুসনা করেছে আজ অনেক মুসলিম!!

"ও ঈমানদার মুসলিমরা সুদকে বর্জন কর""৷ আর যদিতা না কর তাহলে জেনে নাও আল্লাহ আর আল্লাহর রাসুলের সাথে যুদ্ধ গুসনার কথা"""{২:২৭৮/২৭৯}
তাফসীরে ইবন কাসীরে বলেছেন আখিরাতে ওই বেক্তিদের যারা সুদে লেনদেন করেছে ওদের জিবরাইল আ তলবারী দিয়ে বলবেন যাও আল্লাহর সাথে যুদ্ধ কর,ওই যুদ্ধ যেইটার ঘুসনা তুমি দুনিয়াতে দিয়েছিলে.. ওরা করা? ওরা আপনার আমার মত মানুষ যারা সুদে লেনদেন করেছে ৷

নবী (সা) বলেছেন যখন উনাকে জান্নাত এবং জাহান্নামের সফরে নেওয়া হয়েছিল তখন উনি দেখলেন, কিছু মানুষ যাদের পেট বিশাল ঘরের সমান এবং পিটার ভিতর বড় বড় সাপ এবং সাপ গুলু বার বার ওই বেক্তিকে ভিতর থেকে কামর দিচ্ছে..তখন রাসুলআল্লাহ জিবরাইল আ কে জিজ্ঞাস করলেন কে এই বেক্তি? উনি বললেন ওরা সুদ নিয়ে লেনদেন করেছে এবং সুদের মাল খেয়েছে ৷
(আহমেদ/ ইবন মাজা)

আর অন্য হাদিসে নবী (সা) বলেছেন আমি দেখলাম কিছু মানুষ রক্তের নদীতে হাবুডুবু খাচ্ছে এবং যখনই নদী সাতরিয়ে উঠার চেষ্টা করে তখনই একজন ফিরিস্ত ওই লুকদের মখের উপর বড় পাথর দিয়ে মেরে আঘাত করেন, তখন ওই বেক্তি ডুবে আবার সমান জায়গায় চলে যায়..আমি জিবরিলকে জিজ্ঞাস করলাম ওরা কে? জিবরীল বললেন ওরা শুধে লেনদেন করত এবং শুধের মাল খেত ৷
(সহিহ বুখারী, ২.৪৬৮)

আজ মুসলিমদের অবস্তা দেখে আফসোস হয় যে দুনিয়ার কিছু লাভের জন্য আজ আমরা আমাদের আখিরাত নষ্ট করে ফেলছি, আল্লাহর সাথে যুদ্ধ ঘুসনা করেফেলছি..
আজ অনেকেই পড়া লেখার জন্য কেও বেবসার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে সুদে পয়সা লোন আনছে আবার কেও কিস্তিতে বাড়ি বা ফ্লাট কিনার জন্য সুদের মত জঘন্য হারামে লিপ্ত হছ্চে যা বর্জন না করলে আল্লাহর থেকে ওয়াদা করা হয়েছে জাহান্নাম..

যারা যেই কোনো কারণে সুদে লিপ্ত আছেন ওদের মনে রাখা উচিত আল্লাহ চাইলে দুনিয়াতেও সাজা দিতে পারেন আখিরাতেও দিবেন..সুদে লিপ্ত হওয়ার কোনো অজুহাত নাই !!

আল্লাহ যেন আমাদের এবং আমাদের পরিবারকে সুদের মত জঘন্য হারাম থেকে হিফাজত করেন..এবং আমাদের বুঝার এবং আমল করার তাওফীক দান করেন আমীন !



মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৩


নিজের মায়ের সাথে সেক্স করছেন নাতো? সুদ:


তাও আবার অসংখ্যবার...

জানি একথা ভাবতেই আপনার নিজের ভেতরে ঘৃণা হচ্ছে। অসম্ভব ঘৃণা করছেন আমাকেও, আমি কি লিখতে পারলাম এটা?
আমন কুলাঙ্গারও কি পৃথিবীতে আছে?

যদি বলি আপনিই সেই কুলাঙ্গার, যে অজান্তে প্রতিদিনই নিজের গর্ভধারিণী মায়ের সাথে যৌনমিলনের অপরাধ কাধে নিয়ে বেড়াচ্ছেন। ভাবছেন এটা কি করে সম্ভব?

আবদুল্লাহ্ ইব্ন মাসঊদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেনঃ সুদের সত্তর ভাগের ক্ষুদ্রতম ভাগ এই পরিমাণ যে, কোন ব্যক্তি স্বীয় মাতার সাথে যেনা করে। ইবনে মাজাহ্ , বায়হাকী, হাকেম।

# সুদ খাওয়া হারাম! এটাকে গুরুত্ব দিন।

"ওহে ইমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ খেওনা; আর আল্লাহ্‌কে ভয়-শ্রদ্ধা করো যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।" (সুরা আহ্‌লে ইমরান: ১৩০)

# সুদের ভয়াবহ শাস্তিঃ
"আর তাদের সুদ নেবার জন্যে, যদিও তাদের তা নিষেধ করা হয়েছিল, আর লোকের সম্পত্তি অন্যায়ভাবে তাদের গ্রাস করার জন্যে। আর তাদের মধ্যের অবিশ্বাসীদের জন্য আমরা তৈরি করেছি ব্যথাদায়ক শাস্তি।" (সুরা আন নিসা: ১৬০)

"যারা সুদ খায় তারা এমন ভাবে দাঁড়ায় যাকে শয়তান তার স্পর্শের দ্বারা আহিত করেছে। কেননা তারা বলে -- ''ব্যবসা-বাণিজ্য তো সুদ-কারবারের মতোই।’’ কিন্তু আল্লাহ্ বৈধ করেছেন ব্যবসা-বাণিজ্য, অথচ নিষিদ্ধ করেছেন সুদকে। অতএব যার কাছে তারা প্রভুর তরফ থেকে এই নির্দেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে তার জন্যে যা গত হয়ে গেছে, আর তার ব্যাপার রইল আল্লাহ্‌র কাছে। আর যে ফিরে যায় তারাই হচ্ছে আগুনের বাসিন্দা, এতে তারা থাকবে দীর্ঘকাল।" (সুরা আল বাকারাহ্‌: ২৭৫)

সামুরা ইবনে জুনদুব রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন;
নবী মোহাম্মদ সাঃ বলেছেন "আজ রাতে আমি একটি স্বপ্ন দেখেছি যে দু'ব্যক্তি আমার নিকট এসে আমাকে এক পবিত্র ভুমিতে নিয়ে গেল। আমরা চলতে চলতে এক রক্তের নদীর কাছে পৌঁছলাম। নদীর মধ্যস্থলে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে এবং আরেক ব্যক্তি নদীর তীরে তার সামনে পাথর পড়ে আছে। নদীর মাঝখানের লোকটি যখন বের হয়ে আস্তে চায় তখন তীরের লোকতি তার মুখে পাথর খণ্ড নিক্ষেপ করে তাকে স্বস্থানে ফিরিয়ে দিচ্ছে। সে যতবারই ফিরিয়ে আস্তে চায় ততবারই তাকে পাথর মেরে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, 'এ কে?'। সে বলল যাকে আপনি রক্তের নদীতে দেখছেন সে হলো সুদখোর"।
সহিহ বুখারি, খন্ড নাম্বার ৪, পরিচ্ছেদ নাম্বার ১৩০০ 'সুদ গ্রহণকারী, তার সাক্ষী ও লেখক'। হাদিস নাম্বার ১৯৫৫।

কাদের কাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে দেখি চেহারা। ভাই এক পয়সা সুদ খাওয়া মানেই জীবন বরবাদ। পেটের ভেতরে হারাম ঢুকিয়ে ফেলেছেন। এক্ষুনি তাউবা করুন, সুদের টাকা এখনও কাছে থাকলে পুরোটাই সাদকা করে দেন। টাকার মায়ায় জান্নাত হারাইয়েন না।
সুদ শুধু খারাপই নয় বরং একটি হারাম এবং হারামকে হারাম বলে না মানার অর্থই কাফির হয়ে যাওয়া। আজকাল অনেকে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টাকে আমলে নিচ্ছেন না। ভুল ক্রমেও এক পয়সা সুদ খেয়ে থাকলে নামাজ রোজার আর কোন দাম নাই, কিছুই কাজে আসবেনা।
সুদের ব্যবসা মানেই ব্যাংক। এই ব্যাংক আমাদের মুসলিমদের ঈমান ধ্বংসের জন্য কাফিরদের অনেকগুলো সুপরিকল্পিত সিস্টেম এর মাঝে একটি। আমাদের কে কিভাবে হারাম কাজ কৌশলে করিয়ে নেওয়া যেতে পারে এজন্য তারা কৌশল খাটাচ্ছে আর আফছস আমরা সেগুলোতে পা দিয়ে জিন্দেগী নষ্ট করছি। আমাদের মা বোনদের 'সঞ্চয়' নামক ধোঁকার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে এক শ্রেণীর দালাল ও মাগিবাদী(নারীবাদী) ব্যবসায়ীরা ও সুদস্তান (ব্যাংক) এর মালিকেরা শয়তানের এজেন্ট হয়ে আমাদের ঈমান ধ্বংসের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমাদের পেটে কিভাবে হারাম সুদের টাকা ঢোকানো যায় সেই চিন্তায় মগ্ন। অথচ আল্লাহ্‌ সুডঃ দেওয়া প্লাস নেওয়া এবং সাক্ষী থাকাও হারাম করেছেন।
আর আল্লাহ্‌র চাইতে কে বেশি ভালো বোঝেন?

# এই সুদের টাকা কি করবেন?
সুদের টাকা ইসলামী ব্যংকের দিলে হালাল হয়ে যায়না বরং দাড়ি টুপি পরে সুদ খেলেও সুদখোর আর স্বাভাবিকভাবে খেলেও সুদখোর। কিন্তু টাকা তো হালাল করতেই হবে। এজন্য আপনার সুদের টাকা হালাল করুন সেইভাবে যেভাবে আল্লাহ্‌ শিখিয়ে দিয়েছেন।

"আর যা-কিছু তোমরা সুদে দিয়ে থাকো যেন এটি বাড়তে পারে, -- তা কিন্তু আল্লাহ্‌র সমক্ষে বাড়বে না। আর যা তোমরা দিয়ে থাকো যাকাতে আল্লাহ্‌র চেহারা কামনা করে, তাহলে এরাই স্বয়ং বহুগুণিত লাভবান হবে।" (সুরা আর-রুম: ৩৯)

এজন্য আপনার সুদের পুরো অর্থ সাদকা করুন। আর যদি সুদ দিয়ে থাকেন তবে আপনার সম্পদ থেকে সাদকা করুন।
আমি কি সাদকা করার উত্তম পথ আপনাদের দেখিয়ে দিব?

এই টাকা/অর্থ সাদকা করার সর্বোত্তম খাত হলো "জ্বিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ্‌"।

আল্লাহ্‌ বলেন,
"যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহর রাহে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহ্র কাছে আর তারাই সফলকাম। [ আল কুরআন, ৯-২০]"

"তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে, এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পার। [ আল কুরআন, ৯-৪১]"

"কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান ও মালের দ্বারা। তাদেরই জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে। [ আল কুরআন, ৯-৮৮]"

"আল্লাহ্ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহ্র রাহে: অত:পর মারে ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হল মহান সাফল্য। [ আল কুরআন, ৯-১১১]"

"মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দিব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে? তা এই যে, তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্খাপন করবে এবং আল্লাহর পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে। এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বোঝ। [ আল কুরআন, ৬১-১০,১১]"

"সবচেয়ে উত্তম মানুষ ও মুমিন হলো সেই যে আল্লাহ্‌র পথে জীবন ও মাল দিয়ে জ্বিহাদ করে"। সহিহ বুখারি, ৫ম খন্ড, পরিচ্ছেদ ১৭৪৩, হাদিস নাম্বার ২৫৯৫।

অর্থাৎ জ্বিহাদ জীবন ও অর্থ দিয়ে হয়। যার যেটা আছে সে সেটাই দিবে। জান থাকলে জান, মাল থাকলে মাল আর উভয় থাকলে উভয়ই।
আপনি কি চাননা নিজ মাতার সাথে ঘৃণ্য অপরাধের চেয়ে ওই টাকায় মুজাহিদদের সাহায্য করে আল্লাহ্‌র পথের জ্বিহাদে অংশ নিতে?

ইবনে তাইমিয়া রহঃ ফতোয়া দিয়েছেন যে, "যদি একদিকে শত শত মুসলিম না খেয়ে মারা যায় আর অপরকে জ্বিহাদের অর্থের জন্য মুজাহিদরা আহাজারি করে তাহলে আগে মুজাহিদদের অর্থ দাও কারণ যারা না খেয়ে মারা যাচ্ছে আল্লাহ্‌ তাদের সহায় হবেন কিন্তু মুজাহিদরা অর্থ না পেলে আল্লাহ্‌র কালিমা/দ্বীন পরাজিত হবে।" আর বিশ্বের সকল আলেম এবং মুফতি, মুহাদ্দিস এই ফতোয়ার সাথে কোন দ্বিমত নেই।

ওহে মুসলিম, তোমার অর্থে একটু কুফফার মরতে পারে, তোমার অর্থে একটি মুসলিম শিশু খাবার খেতে পারে, তোমার অর্থে একটি মুসলিম ভাইয়ের চিকিৎসা হতে পারে। তোমার অর্থে একটি মুসলিম পিতার, একটি মুসলিম মাতার জীবন রক্ষা হতে পারে, কাফিরের ভয়াবহ ড্রোনের সামনে আল্লাহ্‌র সৈনিক লড়তে পারে।
সুদের টাকার জন্য নিজ মাতার সাথে জিনাহ্‌ এর গুনাও হলোনা আবার অর্থ দিয়ে তুমি জ্বিহাদ করলে ফলে জ্বিহাদের সাওয়াব পেলে। এর চেয়ে উত্তম ইবাদাত কি হতে পারে?
একটি বুলেটের দাম ৩০ টাকা, তুমি কয়টা কাফিরকে জাহান্নামে পাঠাতে চাও?
#FeeSabilillah
— with সোহাগ আহমেদ and 3 others.





Mahmudul Hasan Khan প্রশ্ন:
আমি একটি ব্যাংকে চাকুরী করি,
যা সুদ ভিত্তিক লোণ দেয় এবং সুদ
ভিত্তিক Deposit গ্রহন করে।
আমি জেনেছি যে, সুদ নির্ভর
ব্যাংকে কাজ করা হারাম, তাই
অনুগ্রহ করে নিম্নের প্রশ্নগুলির উত্তর
দিন:
১. আমার এই ব্যাংকের
চাকুরী হারাম কি না, আমি একজন
সাধারন কর্মচারী, (ব্যাংকের)
অর্থের মালিক নই?
২. আমি কি এই
চাকুরী ছেড়ে দিয়ে অন্য
একটি চাকুরী খুজব, এই জেনে যে, এই
চাকুরীর সম পরিমান বেতনের কাজ
পাওয়া খুবই কষ্টকর। আমি কি অন্য কাজ
পাওয়ার আগেই ব্যাংক ছেড়ে দিব,
নাকি অপেক্ষা করব অন্য কাজ
পাওয়া পর্যন্ত?
৩. আমি ১২ বছর ব্যাংকে কাজ
করেছি, এই বছর গুলির হারাম রুযীর
ক্ষেত্রে বিধান কি? আমি এই
ব্যাংকে কাজ করে যে আয়
করেছি তা হারাম কিনা?
আমি যে হজ্জ করেছি তার অর্থ এই
ব্যাংকের বেতনের
টাকা দিয়ে করা হয়েছে, আমার এই
হজ্জ কি গ্রহন যোগ্য?
______________________________________________
__________________
উত্তর: প্রথমত, সুদ ভিত্তিক ব্যাংকের
কাজ করা নিষিদ্ধ এবং আপনার জন্য
বৈধ নয় কাজ
চালিয়ে যাওয়া কেননা তা পাপ
এবং সীমালঙ্ঘনের কাজে সহায়তার
মধ্যে পরে। আল্লাহ্ এটি নিষেধ
করেছেন, এই বলে:" ...পাপ ও
সীমালঙ্ঘনের
ব্যাপারে একে অন্যের
সহায়তা করো না। আল্লাহকে ভয় কর।
নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা কঠোর
শাস্তিদাতা" [আল-মা’ইদা, আয়াত-২]
। জাবির (রাদি’আল্লাহু’আনহু)
থেকে সহীহ সনদে মুহাম্মদ
(সাল্লাল্লাহু
আলাইহী ওয়াসাল্লাম)
থেকে বর্ণিত: "রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম লা’নত
করেছেন, সুদখোরের উপর, সুদদাতার
উপর, এর লেখকের উপর ও উহার
সাক্ষীদ্বয়ের উপর" [মুসলিম,
মুসনাদে আহ্মদ]।Photo অনুরূপ
ভাবে ইবনে মাসঊদ
(রাদি’আল্লাহু’আনহু) বলেছেন: "রাসূল
সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম লা’নত
করেছেন, সুদখোরের উপর, সুদদাতার
উপর, এর লেখকের উপর ও উহার
সাক্ষীদ্বয়ের উপর" [পাঁচ জন মুহাদ্দীস
থেকে বর্ণিত (ঈমাম আহমদ, আবু দাঊদ,
আল-তিরমিযী, আল-নাসাঈ
এবং ইবনে মাযাহ্) এবং আল-
তিরমিযী এটিকে সহীহ বলেছেন]।
Photo আপনার
তৌবা করতে হবে আল্লাহ্র কাছে এর
জন্য।
দ্বিতীয়ত, বিগত বছর
গুলি ব্যাংকে কাজ করার জন্য,
আমরা আশা করি আল্লাহ্ আপনার
গুনাহ্ ক্ষমা করবেন এবং এই
সময়ে আপনি যা আয় করেছেন
তাতে কোন সমস্যা নেই, যদি এই
বিষয়ে আপনি ইসলামের বিধান
না জেনে থাকেন। আমরা এও
আশা করি আল্লাহ্ আপনার হজ্জ কবুল
করুন যা এই অর্থ দ্বারা সম্পাদন
করা হয়েছে, আল্লাহ্ বলছেন: "...অথচ
আল্লাহ তাআলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ
করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন।
অতঃপর যার কাছে তার পালনকর্তার
পক্ষ থেকে উপদেশ
এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে,
পূর্বে যা হয়ে গেছে, তা তার। তার
ব্যাপার আল্লাহর উপর নির্ভরশীল। আর
যারা পুনরায় সুদ নেয়, তারাই
দোযখে যাবে।
তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান
করবে [আল-বাকারা, আয়াত-২৭৫] ।
আল্লাহ তাআলা সুদকে নিশ্চিহ্ন
করেন এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত
করেন। আল্লাহ পছন্দ করেন না কোন
অবিশ্বাসী পাপীকে" [আল-
বাকারা, আয়াত-২৭৬]। আল্লাহ্ যেন
আমাদের সফলতা দান করেন, সালাম
ও দরূদ বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয়
নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু
আলাইহী ওয়াসাল্লাম) এর উপর, তার
পরিবার এবং সাথীদের উপর।
প্রধান সূত্রঃ http://alifta.net/Fatawa/
FatawaDetails.aspx?
languagename=en&View=Page&PageID=5478
&PageNo=1&BookID=7#P45